হরেদেরে আসে আলস্যে, অভ্যাসে

হরেদেরে আসে আলস্যে, অভ্যাসে
পরাজিত কর্ণের দীপ্তি নিয়ে
শতাব্দী পেরিয়ে
যে নক্ষত্র কারণসূত্রে নিহিত হয়েছে
পঁচিশে মে-তে
আটান্ন বছর ধরে
ফিরে, ফিরে আসে
জানা-অজানার ইতিহাসের নিয়তিতে...
মৃত্যুরে তাকিয়ে দেখে
দুপর মিলিয়ে যায়
প্রার্থনীয় বিকেলে
বিধ্বস্ত সন্ধে পার হয়
বস্তির বাল্মীকিকে মনে রেখে
রাত থাকে
মৃত শরীরের গন্ধ নিয়ে
নম্বর লাগিয়ে
শুইয়ে রেখেছে অনেককে
রুটি তৈরি হয়নি দালানে কোনমতেই...
‘ব্রাক্ষণ পাত্রী চাই’
বিজ্ঞাপনের ভিতরে
অনেকেরই নাম
দেখতে পেয়েছে
অবিনাশ, সুধা রাও
ডাকছে কাঠ
একের পর এক নম্বরে
পুড়ছে নাশে, জ্যোৎস্নার বোঝাতে
উড়বে ছাই দাহতে, পাণ্ডুলিপি না মেনে
নক্ষত্রের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া
নষ্ট ভ্রূণের তারাদের মধ্যে
অমুক ছেলেটি, তমুক মেয়েটি
ফিরতে চায় আমাদেই
কাছে...
ওদের পরিবার
সকালে ঝাপসা ঘুমে
ফিরে যাবে কসাইখানায়,
গবাদি পশুর মাথা নিয়ে
যাবে হাটে, সদাইতে
কেউ, কেউ মনে করে, ডাকে
অমুক কসাই বলে...
রাতের গভীর প্রহরে
এখনও নম্বর লাগেনি
গবাদি পশুর মাথায়
টিকে যেতে হলে
নক্ষত্রের পর গবাদি পশুর
মাথায় নম্বর লাগাবে
স্বতঃপ্রভ আগুনে...
টিকে থাকতে হবে
প্রতিহিংসার ছদ্মবেশে সেই বিখ্যাত
বাড়িগুলোর
বহুকেন্দ্রের ভিতরে
হরেদেরে আসে
আলস্যে, অভ্যাসে
পঁচিশে মে... বছরে ... বছরে...
কুমারসম্ভবে।
25/5/2025
Amitava Mukherjee
Copyright@ Amitava Mukherjee
No Comment! Be the first one.