অবশেষে বুঝতে পেরছো

পিতাভ নদীর ধারে
রাত প্রহরে,
কী মায়ায় ঘুরে বেড়ায়
তিথিকা—
দুই হাত ভর্তি সাদা করবী
দয়াপ্রার্থী আবার,
অস্থির বাতাসের কাছে—
সুতি, রেশম
বন্ধু ও সঙ্গিনী,
মিলেমিশে
নিখুঁত শাড়ির ভাজ,
তিথিকার শরীর জুড়ে,
আবদ্ধ থাকে দুই হাতের মাঝে—
একটি শিশির কণা,
একটি সাদা লিলির পাপড়ি
পরস্পরে,
লালচে ঠোঁটের মাঝে—
অলঙ্ঘ্য শরীরের পরাগ ছড়ায়
লজ্জাহীন বাতাস--
বাঁশির সুরে শিষ দিচ্ছে
রাজহাঁস,
শুনতে কি পেয়েছো—
তীক্ষ্ণ অন্ধকারের গান
গোপন কঠিন মুখে—
জলপ্রপাতের মতো বৃষ্টির ধারা
পলাতক গাছের পাতায়,
পীতাভ নদীর কালো পাড় ভেঙেছে
ভেজা চোখে--
অবশেষে মেঘের নিচে দেখেছো,
আকাশ জুড়ে
প্রবাহিত সাদা মেঘের ক্রুশের কাজ
তার পা কালো পাতার মতো—
একান্তে উরুর জোড়
অনুভব করেছে হৃদয়কে,
জলের মতো সজল একাকী শরীরে,
নদীর অগোপন আলোতে,
রাজহাঁসের প্রসারিত ডানায়--
অবশেষে বুঝতে পেরছো
তোমার সৌন্দর্য, জারুলে—
কি রকম আশ্চর্য সরল
উন্মুক্ত খোলা বুকের মতো--
রাজহাঁসের গল্পে
সবকিছুর মিল আছে
অবিকল তিথিকার মতো—
আর কিভাবে তুমি পালটে ফেলেছো
তোমার জীবনকে।
14/8/2025
Amitava Mukherjee
Copyright@ Amitava Mukherjee
The poem feels fluid and hypnotic,
like walking along a river at night while thought, memory, and longing drift together. Each image lingers, especially the delicate balance between tenderness and intensity. It is haunting in a quiet, unforgettable way.
Thanks very much! Appreciated your thoughtful comment.